বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যুক্তরাজ্যে বহু বছর এই করোনাভাইরাস থাকবে এবং এটা চিরতরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। যদি ভ্যাকসিন আসেও তবুও চিরতরে যাবে না।

ওয়েলকাম ট্রাস্টের পরিচালক প্রফেসর স্যার জেরেমি ফারার হাউজ অফ কমন্সের একটি হেলথ কমিটিতে বলেন, বড়দিনের আগে কিছুই স্বাভাবিক হবে না।

তিনি উল্লেখ করেন এটি দশকজুড়েও চলতে পারে।

এমন একটি সময়ে তিনি এ কথা বললেন যখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলছেন, ক্রিসমাসের আগেই এটা ঠিক হয়ে যাবে।

এদিকে জাতিসঙ্ঘের ২০ জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, যে তিনটি প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের চেষ্টায় তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলো হলো-

সিনোভেক : কোভিড-১৯ এর নিষ্ক্রিয় অংশের ওপর ভিত্তি করে একটি টিকা আবিষ্কারের কাজ করছে চীনের কোম্পানি সিনোভেক। প্রথম দফার পরীক্ষাগুলোয় টিকাটি বেশ সাফল্য দেখিয়েছে। এখন ব্রাজিল ও বাংলাদেশে কয়েক হাজার মানুষের ওপর টিকাটির তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি : শিম্পাঞ্জির শরীরের সাধারণ সর্দি-কাশি তৈরি করে, এমন একটি ভাইরাসের জিনগত পরিবর্তন করে এই টিকা তৈরি করা হচ্ছে।

টিকাটি করোনাভাইরাসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং তখন শরীরের ভেতর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বুঝতে পারে যে, কীভাবে করোনাভাইরাসকে আক্রমণ করে পরাস্ত করা যাবে। সম্প্রতি এর গবেষকরা ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকায় তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা শুরু করেছে। ভারতেও টিকাটির ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।

ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন/মারডকচিলড্রেনস রিসার্চ ইন্সটিটিউট : প্রায় ১০০ বছরের পুরনো একটি ফুসফুসের টিকা নিয়ে তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চালাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার মারডক চিলড্রেনস রিসার্চ ইন্সটিটিউট। এই টিকা যদিও সরাসরি কোভিড-১৯ থেকে রক্ষা করে না কিন্তু এটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

সূত্র : বিবিসি