গলাচিপায় ডাক্তার দেখাতে এসে আবাসিক হেটেলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। বুধবার রাতে পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সৈকত মহল নামের একটি আবাসিক হোটেলে এ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৯ বছরের ওই তরুণী। গলাচিপা থানা পুলিশ গলাচিপা পৌর এলাকার ফেরিঘাট (পুরান লঞ্চঘাট) এলাকার ওই হোটেলে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় ধর্ষিতা ওই তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার গলাচিপা থানায় পাঁচ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষিতাকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জান গেছে, উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের এক তরুণী গতকাল বুধবার বিকেলে ডাক্তার দেখাতে গলচিপা শহরে যান। ডাক্তার দেখানো শেষে রাত হওয়ার কারণে ওই তরুণী শহরের আবাসিক গোলে সৈকত মহলে রাত যাপন করেন।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে হোটেল ম্যানেজার ফারুকের সহায়তায় তরুণীর কক্ষে প্রথম প্রবেশ করে তরুণীর পূর্বপরিচিত শহিদুল নামের এক যুবক। এরপর রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা ধরে তরুণীর পূর্বপরিচিত শহিদুল (২৪), রশিদ গাজী (৩২), স্বপন (৪০), জিতেন (৩৫) ও খোকন ডাক্তার (৪৫) ভয়-ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে ১২টায় সৈকত মহল হোটেলে অভিযান চালিয়ে শহিদুলসহ পাঁচ ধর্ষককে আটক এবং যুবতীকে উদ্ধার করে।

গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির (তদন্ত) বলেন, রাতে খবর পেয়ে পুলিশ পাঁচ ধর্ষককে প্রেপ্তার এবং ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করে। পরে বৃহস্পতিবার ধর্ষিতা বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে গলাচিপা থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিদের কোর্টে পাঠানো  হয়েছে । ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।