নিজের মেয়েকে একের পর এক ধর্ষণের দায়ে ৩২ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে এক ব্যক্তির। ৫৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি এর আগেও কারাভোগ করেছেন। গত সোমবার সিঙ্গাপুরের একটি আদালত তাকে কারাদণ্ডাদেশ দেয়।

সিঙ্গাপুরের হাইকোর্টের বিচারক হো শোয়াও পেং জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি এর আগে চুরি ও হত্যা মামলায় জেল খেটেছেন। দীর্ঘ সময় কারাগারে থেকেও নিজেকে শুধরে নিতে পারেননি।

মেয়ের পরিচয় প্রকাশ হওয়ার শঙ্কায় ওই ব্যক্তির পরিচয় গোপন করা হয়েছে। গত জুন মাসেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। এর আগে ২০১৬ সালের মার্চে তিনি নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। সেটাও নিজের বাড়িতেই।

অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তারই ছেলে ও আরেক মেয়ে সাক্ষ্য দিয়েছে। তাদের কথা এবং ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছান বিচারক।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২ মার্চ জেল থেকে ছাড়া পান ওই ব্যক্তি। ওইদিনই তাকে বাড়ি নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। ২৭ মার্চ বাড়িতে কেউ ছিল না। সন্ধ্যায় মেয়ে বাড়ি ফিরে দেখে বাবা মদ খেয়ে মাতলামি করছে।

ওই অবস্থায় বাবা তাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করেছে। পরে চাকু দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। আর বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি। দেয়। বিষয়টি মদ্যপ অবস্থায় ঘটেছে বলে প্রথমে মনে করে মেয়ে। কিন্তু দ্বিতীয়বার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে বন্ধুর কাছে সব খুলে বলে ভুক্তভোগী মেয়ে।

আদালতে দাঁড়িয়ে ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি মেয়ের সম্মতিতেই শারীরিকভাবে মিলিত হয়েছেন। মেয়ে তাকে আকৃষ্ট করেছে এবং ঘটনার দু’দিন আগেও সে ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সব শুনে রেগে যান বিচারক। পরে ওই ব্যক্তিকে ৩২ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

সূত্র : স্ট্রেইট টাইমস