ইসলাম ধর্মে বিয়েকে ফরয করা হয়েছে। তাই প্রতিটি মুসলমানই বিয়ে করে থাকেন। তবে বিয়ের ব্যাপারে ইসলামে কড়া নির্দেশনা দেয়া আছে। সেখানে স্পষ্ট বলা আছে কোন ধরণের নারীকে বিয়ে করতে হবে এবং কোন ধরণের নারীদের বিয়ে করা যাবে না।

ইসলামে তিন শ্রেণির নারীদের বিয়ে করতে নিষেধ রয়েছে। যদি কেউ তা অমান্য করে তাহলে তাদের সংসারে আল্লাহ তায়ালা গজব নেমে আসবে। যেমন:

১) রক্ত সম্পর্কের কারণে হারাম, এই সম্পর্কের ৭ জন রয়েছে। (মা, কন্যা, বোন, ভাতিজী, ভাগিনী, খালা এবং ফুফু)।
২) দুগ্ধ সম্পর্ক বা দুধ পান করার কারণে হারাম, এই সম্পর্কেরও ৭ জন রয়েছে। (দুধ মা, দুধ কন্যা, দুধ বোন, দুধ ভাতিজী, দুধ ভাগিনী, দুধ খালা এবং দুধ ফুফু)।
৩) বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে হারাম, এই সম্পর্কের ৫ জন রয়েছে। সৎ মা, পুত্র বধূ বা পৌত্র বধূ (নাতির বউ), শাশুড়ি, দাদি শাশুড়ি বা নানী শাশুড়ি এবং স্ত্রীর অন্য পক্ষের কন্যাসমূহ।

অনুরূপভাবে, স্ত্রী ও তার বোন, স্ত্রী ও তার ফুফু, স্ত্রী ও তার খালাকে একত্রে বিবাহ করে একত্রে স্ত্রী হিসাবে রাখা হারাম।

وَلَا تَنْكِحُوا مَا نَكَحَ آَبَاؤُكُمْ مِنَ النِّسَاءِ إِلَّا مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَمَقْتًا وَسَاءَ سَبِيلًا (22) حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ وَعَمَّاتُكُمْ وَخَالَاتُكُمْ وَبَنَاتُ الْأَخِ وَبَنَاتُ الْأُخْتِ وَأُمَّهَاتُكُمُ اللَّاتِي أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ مِنَ الرَّضَاعَةِ وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ وَرَبَائِبُكُمُ اللَّاتِي فِي حُجُورِكُمْ مِنْ نِسَائِكُمُ اللَّاتِي دَخَلْتُمْ بِهِنَّ فَإِنْ لَمْ تَكُونُوا دَخَلْتُمْ بِهِنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ وَحَلَائِلُ أَبْنَائِكُمُ الَّذِينَ مِنْ أَصْلَابِكُمْ وَأَنْ تَجْمَعُوا بَيْنَ الْأُخْتَيْنِ إِلَّا مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ غَفُورًا رَحِيمًا (23)

মহান আল্লাহ বলেছেন,তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকন্যা; ভগিনীকন্যা তোমাদের সে মাতা যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোনো গুনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু।” (সূরা নিসাঃ আয়াতঃ ৪:২২-২৩ এবং ইমাম বুখারী সংগৃহীত হাদিসঃ ২৬৪৫, ৫১০৯)।